বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কলকাতা থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যাবে মুম্বই এবং চেন্নাইয়ে। কারণ সাঁতরাগাছি-খড়গপুর চতুর্থ লাইন নির্মাণ প্রকল্পে অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (West Bengal New Rail Project)। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় বৈঠকের পর রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুরের মধ্যে 111 কিলোমিটার অংশে চতুর্থ লাইন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিশ্বাস, চতুর্থ লাইন তৈরি হলে শহর কলকাতা থেকে দুই মেট্রো সিটি অর্থাৎ মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটাই উন্নত হবে।

সাঁতরাগাছি-খড়গপুর লাইন নিয়ে বড় পরিকল্পনা রেল

গতকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুরের মধ্যবর্তী অংশের 111 কিলোমিটার জায়গা জুড়ে চতুর্থ রেললাইন তৈরি করা হবে। আর এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের খরচ পড়বে প্রায় 2905 কোটি টাকা। রেলমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, আগামী 5 বছরের মধ্যে চতুর্থ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে। আর সেটা হয়ে গেলে ভিন রাজ্যের সাথে যেমন যোগাযোগ বাড়বে তেমনই উন্নত হবে রেল ব্যবস্থা। যাত্রীদের আশ্বস্ত করে রেলমন্ত্রী বলেছেন, সাঁতরাগাছি থেকে খড়গপুর অংশে চতুর্থ রেললাইন তৈরি হয়ে গেলে আগামী 5 বছরের মধ্যে এই অংশে কমবেশি 50টি নতুন ট্রেন চালানো হবে। এরমধ্যে লোকাল এবং এক্সপ্রেস বা মেল উভয় ট্রেন থাকতে পারে বলেই আশা সিংহভাগেরই। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন বড় সিদ্ধান্তের পর উচ্ছ্বসিত একাংশের যাত্রী। যদিও চতুর্থ রেললাইন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলেও আদৌ সমস্যা মিটবে কিনা তা নিয়ে কিছুটা হলেও সংশয়ে নিত্যযাত্রীরা।
অবশ্যই পড়ুন:দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গে কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া?
প্রসঙ্গত, সাঁতরাগাছি-খড়গপুর লাইনের নিত্যযাত্রীদের বেশিরভাগেরই অভিযোগ, এই অংশে লোকাল ট্রেনের পরিষেবা একেবারে বিচ্ছিরি। প্রচুর লেট করে চলে সব ট্রেন। তাঁদের বক্তব্য, দক্ষিণ পূর্ব রেল এই লাইনটাকে মাল গাড়ি চলাচলের জন্য ব্যবহার করছে। যার ফলে লোকাল ট্রেনের পরিষেবা বাধাপ্রাপ্ত হয়। সমস্যায় পড়তে হয় সকলকেই। সেক্ষেত্রে নতুন রেললাইন বা চতুর্থ রেললাইন তৈরি হলে আদৌ সমস্যা মিটবে কিনা তা নিয়ে ধন্দে নিত্য যাত্রীরা।