বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিগত বছরগুলিতে রাজ্যে চালু হয়েছে একের পর এক ভাতা প্রকল্প। যেগুলির মধ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar Prakalpa) অন্যতম। বাংলার মহিলাদের আর্থিক সংস্থানের লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রকল্প চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। বর্তমানে এই প্রকল্পের অধীনে বাংলার অসংখ্য নারী মাসে মাসে 1500 থেকে 1700 টাকা পর্যন্ত পান। তবে শোনা যাচ্ছে, এবার এই প্রকল্প নিয়ে কঠোর হতে পারে প্রশাসন। বন্ধ হয়ে যেতে পারে হাজার হাজার লক্ষ্মীর ভান্ডার অ্যাকাউন্ট! কিন্তু কেন?
বন্ধ হয়ে যাবে হাজার হাজার লক্ষীর ভান্ডার অ্যাকাউন্ট?
তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, কন্যাশ্রী, রুপশ্রী, লক্ষীর ভান্ডার, ইমাম ভাতা, পুরোহিত ভাতার মতো একাধিক প্রকল্প চালু হয়েছে। সেই প্রকল্পের আওতায় মাসে মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ঢুকছে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। তবে সরকারই সূত্রের দাবি, যারা বেআইনি বা অবৈধভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ অন্যান্য প্রকল্পের টাকা নিচ্ছেন তাঁদের অ্যাকাউন্ট চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়াও বেশ কিছু ভুল করে থাকলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো প্রকল্পের অ্যাকাউন্ট। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক করানো নেই তারা এই ভাতা পাবেন না। সেক্ষেত্রে এই কাজ না করে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব আঁধারের সাথে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক করিয়ে নেওয়াই ভাল। একই সাথে, যাঁদের বয়স 25 থেকে 60 এর মধ্যে শুধুমাত্র তারাই লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের জন্য যোগ্য। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্য কোনও প্রকল্প থেকে মাসিক ভাতা পেয়ে থাকলে এই প্রকল্পের টাকা মিলবে না।
অবশ্যই পড়ুন:তিন মাস ঢুকবে না লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বিরাট আপডেট
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প লক্ষীর ভান্ডারের মাসিক ভাতা 500 টাকা বাড়ানো হয়েছে। সরকারি ঘোষণার পর গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই বর্ধিত ভাতা পাচ্ছেন সুবিধাভোগীরা। মমতা সরকারের নির্দেশের পর এই মুহূর্তে রাজ্যের সাধারণ শ্রেণীভুক্ত মহিলারা মাসে 1500 টাকা এবং তপশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা 1700 টাকা করে পাচ্ছেন।