বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অবশেষে ক্ষমা চাইল ইরান। তবে আমেরিকা বা ইজরায়েলের মতো পরাশক্তির কাছে নয়, বরং উপসাগরীয় বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্রমাগত হামলা চালানোর জন্য ক্ষমা চেয়েছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দেশ। ইতিমধ্যেই ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলো যদি ইরানে হামলা চালানোর জন্য আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে মদত না দেয় তবে ইরানের সেনাবাহিনীও তাদের উপর হামলা চালাবে না।

বিশেষ শর্তে ক্ষমা চাইল ইরান

গত শনিবার, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ যায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির। আর তারপরেই একেবারে ক্ষেপে গিয়েছিল পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটি। বদলা হিসেবে বিভিন্ন আরব দেশ যেমন সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, কাতার, দোহা, কুয়েতের মতো দেশ গুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্রমাগত হামলা চালাতে থাকে ইরান। হামলা চালানো হয় ইজরায়েলেও। তবে এবার ইরানের তরফে প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট পেজশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন, "আমেরিকা বা ইজরায়েলের মতো শক্তিধর দেশগুলিকে ইরানে হামলা চালানোর জন্য সাহায্য বা মদত না যোগালে ইরানও তাদের উপর হামলা চালাবে না। প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে ইরানের ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই।" এক কথায়, আরব দেশগুলি যদি ইরানে হামলা চালানোর জন্য আমেরিকাকে আর সাহায্য না করে সেক্ষেত্রে ইরানের মরণ কামড় খেতে হবে না তাদের। তবে যদি এর অন্যথা হয় সেক্ষেত্রে পাল্টা প্রত্যাঘাত করবে তেহরান।  
অবশ্যই পড়ুন: যুবসাথী তো আজ, ভূমিহীন ক্ষেতমজুরের টাকা কবে থেকে দেওয়া হবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব পরিস্কার ভাবে বলেছিলেন ইরান যত দ্রুত সম্ভব নিঃশর্তে আত্মসমর্পণ করে নিক। একই সাথে নিজের বেছে দেওয়া বা মনোনীত প্রার্থীদের ইরানের সিংহাসনে বসানোর কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট জানালেন, আমেরিকার শাসকের এমন স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে।