বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে চলছে যুবসাথী (Banglar Yuva Sathi) প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশে, গত 15 ফেব্রুয়ারি থেকে করা যাচ্ছে আবেদন। যা চলবে আগামী 26 ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে এই বিশেষ প্রকল্পে আবেদন করে ফেলেছেন রাজ্যের অসংখ্য বেকার অথচ শিক্ষিত যুবক যুবতী। তবে এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা বেকার ভাতা প্রকল্পে আবেদন করতে গিয়ে ফর্ম পূরণের সময় একটা ভুল বেশি করছেন। সরকারি আধিকারিকদের মতে, ওই এক ভুলেই বাতিল হয়ে যেতে পারে ফর্ম।
এই ভুল করলে পাবেন না যুবসাথী প্রকল্পের টাকা
অনলাইন হোক কিংবা অফলাইন, যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করার সময় আবেদনকারীদের অনেকেই ফর্মে পেশার জায়গায় Employed লিখে দিয়েছেন। যেখানে সরকারের গাইডলাইনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যুবসাথী প্রকল্প থেকে মাসিক ভাতা শুধুমাত্র তাঁরাই পাবেন যাঁরা আদতেই বেকার। এক কথায় সরকারি বা বেসরকারি কোনও সু প্রতিষ্ঠিত চাকরি নেই বলা ভাল, আয়ের উৎস নেই এমন আবেদনকারীরাই এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা পাবেন। সে ক্ষেত্রে, Employed শব্দটি ফর্মে উল্লেখ করলে বাতিল হয়ে যাবে আবেদন। বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে 21 থেকে 41 বছর বয়সি যে সমস্ত শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষক বন্ধু, লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মতো আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের সুবিধা পান তাঁরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। যদিও মাঝে শোনা গিয়েছিল, কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নাম থাকলেও মিলবে যুবসাথীর টাকা। এ প্রসঙ্গে স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পের আধিকারিকদেরও বক্তব্য, কৃষক বন্ধুর টাকা পেলেও মিলবে যুবসাথী।
অবশ্যই পড়ুন:এবার থেকে বিবাহিত মেয়েরাও পাবেন গ্র্যাচুইটি! বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সপ্তদশ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেই লক্ষীর ভান্ডারের মতো প্রকল্পের মাসিক ভাতা 500 টাকা করে বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলার শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের স্বার্থে বিশেষ প্রকল্প বেকার ভাতা অর্থাৎ যুবসাথীর প্রস্তাব রেখেছিলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। পরবর্তীতে সেই প্রকল্প সম্পর্কে রাজ্যবাসীকে অবগত করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।